Connect with us

বিশেষ সংবাদ

এমপিওভুক্তির তালিকা থেকে বাদ ১৭ প্রতিষ্ঠান

Published

on

এমপিওভুক্তির তালিকা থেকে ১৭ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বাদ দেয়া হয়েছে। যোগ্যতা না থাকায় বিভিন্ন ক্যাটাগরির এসব প্রতিষ্ঠান বাদ দিয়েছে যাচাই-বাছাই কমিটি। বুধবার এমপিওভুক্তির চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

মাদরাসা ও কারিগরি বাদে নিম্ন মাধ্যমিক থেকে ডিগ্রি পর্যন্ত পাঁচ ক্যাটাগরিতে যাচাই-বাছাই শেষে এক হাজার ৬৩৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে। তবে গত ২৩ অক্টোবর এসব ক্যাটাগরিতে এমপিওভুক্তি ঘোষণা করা হয়েছিল এক হাজার ৬৫০টি। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে বাদ গেছে ১৭টি প্রতিষ্ঠান।
এক্ষেত্রে ৪৩৯টি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের (৬ষ্ঠ-৮ম) মধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে ৪৩০টি। ৯৯৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের (৬ষ্ঠ-১০ম) মধ্যে ৯৯১টি, ৬৮টি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের (একাদশ থেকে দ্বাদশ) সবকটি, ৯৩টি কলেজের (একাদশ থেকে দ্বাদশ) মধ্যে বাদ গেছে একটি। ৫৬টি ডিগ্রি কলেজের মধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে ৫২টি।

এদিকে মাদরাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দাখিল ৩৫৭টি, আলিম ১২৮টি, ফাজিল ৪২টি, কামিল ২৯টি; কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কৃষি ৬২, ভোকেশনাল ১৭৫ এবং এইচএসসি (বিএম) ২৮৩টি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হলেও এখনও চূড়ান্ত কোড পায়নি। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি শিগগিরই এসব প্রতিষ্ঠানের চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করতে কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন।

বাদ পড়া প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে এমপিওভুক্তি প্রতিষ্ঠানের তালিকা যাচাই-বাছাই কমিটির প্রধান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোমিনুর রশিদ আমিন বলেন, এমপিওভুক্তির পর কিছু প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ আসে। কিছু প্রতিষ্ঠান ভুল তথ্য দিয়ে এমপিওভুক্ত হয়। নীতিমালা-২০১৮ অনুযায়ী যেসব প্রতিষ্ঠানের তথ্যে গরমিল ছিল সেগুলো বাদ গেছে। এখনও যদি অভিযোগ আসে যাচাই-বাছাই করা হবে।

এমপিওভুক্তির দাবিতে ২০১০ সালের পর থেকেই থেমে থেমে আন্দোলন করে আসছিলেন এমপিওভুক্ত নয়, এমন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা। এরই ভিত্তিতে ২০১৮ সালে এমপিওভুক্তির জন্য প্রায় ৯ হাজার নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনলাইনে আবেদন করে। এই আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে ২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দুই হাজার ৭৩০টি নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তির জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়। দীর্ঘ ছয় মাস পর দেয়া হয় এমপিও কোড। নতুন এমপিও পাওয়া এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা গত বছরের (২০১৯) জুলাই থেকে নির্ধারিত বেতনভাতা পাবেন।
জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানের কোড দেয়া সম্পন্ন হওয়ার পর শিক্ষক-কর্মচারীদের কোড দেয়া শুরু হবে। এ প্রক্রিয়াও দ্রুত শেষ করা হবে। চলতি অর্থবছরের মধ্যেই শিক্ষক-কর্মচারীরা তাদের বেতন পাবেন।

প্রজ্ঞাপনে যেসব শর্ত দেয়া হয় সেগুলোর মধ্যে রয়েছে- বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ অনুযায়ী শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতাদি প্রাপ্য হবেন। তবে শিক্ষক-কর্মচারীদের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা নিয়োগ পরিপত্র জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী প্রযোজ্য হবে।

যে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়েছে তাদের মধ্যে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নীতিমালা অনুযায়ী যোগ্যতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হলে সে প্রতিষ্ঠানের এমপিও স্থগিত করা হবে। শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ভাতাদি ১ জুলাই, ২০১৯ থেকে কার্যকর হবে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিশেষ-সংবাদ

কপিরাইট © ২০১৮ -২০২১ স্কুল নিউজ। প্রধান সম্পাদক ডঃ মোমেনা খাতুন। ১৮/৬ মোহাম্মদিয়া হাউজিং, মোহাম্মদপুর, ঢাকা। যোগাযোগঃ info@schoolnews.com.bd